ল্যুভরের বিশাল আকার দেখে কীভাবে ভালোভাবে ঘুরে আসা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার পর ছোট দলের গাইড ট্যুর বেছে নেওয়াটা সত্যিই দারুণ ছিল। একা গেলে হয়তো শুধু দেখতাম আর ছবি তুলে চলে আসতাম, কিন্তু এই ট্যুরের মাধ্যমে প্রতিটি শিল্পকর্মকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি এবং প্রতিটি কাজের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, অর্থ ও শিল্পীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করার সময় পেয়েছি।
মিউজিয়ামে ঢোকার আগে থেকেই চই জুন-হো গাইডের ফ্রান্সের ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা শুরু হয়েছিল। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত বিভিন্ন যুগ ধরে ল্যুভরে তিন ঘণ্টা ঘুরে বেড়ানোটা এতটাই সংক্ষিপ্ত মনে হয়েছিল যে, মনে হচ্ছিল যেন সময় উড়ে গেছে। “যত জানবে, তত দেখবে” – এই কথাটার সত্যতা আমি উপলব্ধি করেছি।
শুধু ব্যাখ্যা শুনে ঘুরে বেড়ানোর ট্যুরও ভালো, তবে প্রশ্ন করে, আলোচনা করে এবং প্রতিটি যুগের ইতিহাসের গভীরে প্রবেশ করে জাদুঘর দেখার জন্য ছোট দলের ট্যুরটি আমি অত্যন্ত সুপারিশ করছি।
চই জুন-হো গাইডকে এত আনন্দদায়ক ও শিক্ষামূলক সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ^^