আমি ইংরেজি বলতে পারি না বলে অপেক্ষার জায়গায় ৫ মিনিট আগে গিয়েছিলাম। কিন্তু গাড়িটা ১৫ মিনিট দেরিতে এসেছিল। আমি ভুল করেছি কিনা বা গাড়িটা আদৌ আসবে কিনা, এই নিয়ে যখন খুব চিন্তায় ছিলাম, তখন একটা সংথেউ ট্রাক এল। ট্রাকে করে যাওয়ার পর জাতীয় উদ্যানের প্রবেশমূল্য বাবদ ২০০ বাত দিয়ে স্টিকার ও সাঁতারের চশমা পেলাম। আবার বন্দরে গিয়েছিলাম এবং যে লংটেইল বোটে চড়তে চেয়েছিলাম, তাতে চড়লাম। আমরা দুজন কোরীয় ছিলাম, বাকি ১৮ জন ছিল বিভিন্ন দেশের বিদেশী। ইংরেজিতে লম্বা কথা বললে জটিল ও বিভ্রান্তিকর মনে হয়, তাই সবাই যখন হাসছিল, আমিও তাদের সাথে হেসেছিলাম এবং এভাবেই ট্যুরটা করেছিলাম। স্নরকেলিং করার সময় অনেক মাছ ছিল এবং পর্যাপ্ত সময়ও ছিল, যা খুব ভালো লেগেছিল। রাইলে বিচে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে রাতের খাবার খাওয়াটাও ভালো লেগেছিল। লুমিনেসেন্ট সাঁতারটা ১০ মিনিটের মতো সংক্ষিপ্ত হলেও, চারদিকে শুধু কালো সমুদ্র আর আকাশের নিচে সমুদ্রের মধ্যে ঝিকমিক করা জোনাকির আলো দেখতে পাওয়াটা খুব আশ্চর্যজনক ও নতুন অভিজ্ঞতা ছিল, আজকের দিনটা আমি কখনোই ভুলব না। অবশ্যই আমাদের বোটের ক্যাপ্টেনও খুব ভালো এবং কৃতজ্ঞতা জানাই। মারিয়াম ট্যুরসের প্রশংসা করি।